Requirements not met

Your browser does not meet the minimum requirements of this website. Though you can continue browsing, some features may not be available to you.


Browser unsupported

Please note that our site has been optimized for a modern browser environment. You are using »an unsupported or outdated software«. We recommend that you perform a free upgrade to any of the following alternatives:

Using a browser that does not meet the minimum requirements for this site will likely cause portions of the site not to function properly.


Your browser either has JavaScript turned off or does not support JavaScript.

If you are unsure how to enable JavaScript in your browser, please visit wikiHow's »How to Turn on Javascript in Internet Browsers«.


Your browser either has Cookies turned off or does not support cookies.

If you are unsure how to enable Cookies in your browser, please visit wikiHow's »How to Enable Cookies in Your Internet Web Browser«.

 

Select Language / ভাষা নির্বাচন:

শীর্ষ সংবাদ

এই বিভাগে

বিজ্ঞাপন

  • Attestation Service from EdmontonOaths Alberta Commissioner of Oaths Services
  •  Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta · Promoter of Bangladeshi Culture and Heritage in and around Edmonton
  • Document Preparation Service from EdmontonOaths Alberta Commissioner of Oaths Services
  • R.S. Jeweler's in Bangladesh
  • Legal Witnessing Service from EdmontonOaths Alberta Commissioner of Oaths Services
  • Celebration of Mother Language, Culture and Heritage at MotherLanguageDay.ca
  • Samajkantha Online Inc. · The Voice of Society · Bengali online news magazine

Bengali Fonts

You need to install at least one Bengali font to read or write Bengali.

We offer a .ZIP-File true type font for download. Read the following installation instructions to see how to install the font.

আন্তর্জাতিক



বাঙালির সর্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক আনন্দোৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় ১১ এপ্রিল ২০২৬ সন্ধ্যায় স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সেমিনারে উন্নত বিশ্বের অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশের জন্য একটি নাগরিক চার্টার প্রণয়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার মতো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর অভিজ্ঞতা অনুসরণ করে বাংলাদেশের জন্য একটি কার্যকর নাগরিক চার্টার তৈরি করা যেতে পারে। প্রস্তাবিত নাগরিক চার্টারে বর্তমান সংবিধানের মূলনীতি, মানবাধিকার, আইনের শাসন, দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা, স্বাধীন বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ প্রবাসী সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ। কানাডার একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ গবেষণা অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে আরও অর্থবহ করতে প্রচলিত সংবিধানের আলোকে একটি নাগরিক চার্টার প্রণয়নের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ কোনো ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক উৎসব নয়; এটি বাঙালির সর্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক আনন্দোৎসব। মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে ‘ফসলি সন’ প্রবর্তনের মাধ্যমে বাংলা সনের সূচনা হয়, যা পরে ‘বাংলা সন’ নামে পরিচিতি পায়। হিজরি সনের সঙ্গে কৃষিকাজের সময়সূচির অসামঞ্জস্য দূর করতে এই সনের প্রচলন করা হয়। সময়ের পরিক্রমায় পহেলা বৈশাখ বাঙালির ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশের সূচনা এবং নতুন বছরের শুভ সূচনার মাধ্যমে একটি সর্বজনীন সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে, যা আজ বাঙালির প্রাণের উৎসব হিসেবে পরিচিত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যক্ষ সাদিকের পুত্র, লেখক ও সমাজতাত্ত্বিক ড. কামরুল হাসান, সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড), কুমিল্লা এবং সভাপতি, স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশ।

সভাপতির বক্তব্যে ড. কামরুল হাসান বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক প্রেক্ষাপটে দেশে মানবাধিকার উন্নয়নকে আরও কার্যকর করতে প্রশাসনের সর্বস্তরে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার ইতোমধ্যে জনগণের কল্যাণে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং এসব উদ্যোগ আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে স্থিতিশীলতা ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার পুন্ড্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর সাবেক পরিচালক ড. আনোয়ার জাহিদ।

আলোচনায় অংশ নেন বার্ডের সাবেক পরিচালক নারী নেত্রী নাসিমা আক্তার; সাংবাদিক খায়রুল আহসান মানিক (ইউএনবি), ভাইস প্রেসিডেন্ট, স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশ; সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন (বাসস); ফিরোজ মিয়া, সম্পাদক, দৈনিক ভোরের সূর্যোদয়; সাংবাদিক শামসুল হাবিব (যুগান্তর); সাইফুর হাসান, সাইবার সিকিউরিটি কর্মকর্তা; প্রবাসী ব্যবসায়ী শাওকাত ইকবাল; জাতীয় দাবাড়ু এসরার জাহিদ এবং প্রকৌশলী কোৱা হাসান ইভানা।

সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার নাগরিক অধিকার, মানবাধিকার, গণতন্ত্র, সুশাসন ও জাতীয় ঐক্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সামনে রেখে পার্লামেন্টে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং পরিবর্তনের একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এদিকে প্রবীণ সাংবাদিক এ এস এম হাবিবুল্লাহর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন প্রধান অতিথি দেলোয়ার জাহিদ। সাংবাদিকতার অতীত স্মৃতি রোমন্থন করে তিনি বলেন, “তার মৃত্যুতে দেশ একজন নিবেদিতপ্রাণ ও পেশাদার সাংবাদিককে হারালো।”

সভায় মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী কোৱা হাসান ইভানা।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

 

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা ৩৩ মিনিটে দিনের প্রথম প্রহরে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

 

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করে এবং বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

 

 

 

কানাডার আলবার্টায়  শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ৫৫তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন 

 

আলবার্টা, কানাডা  ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বেসা ):গত  ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ৫৫তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে এডমন্টনের রাউণ্ডল  পার্কের এসিটি একুয়েটিক রিক্রিয়েশন সেন্টারে যথাযোগ্য দিবস দুটি পালিত হয়।  মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক বুদ্ধিজীবী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রক্তিম স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও  ৯ মাসের সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, দিনটিতে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে এবং দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে এই দিনে  আমরা লাভ করি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্র যার ভিত্তি ছিলো ৪টি স্তম্ভ -গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র  ও ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ।

 

মহান মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, ৬৬ এর ছয়দফা ও ৬৯ এর ১১ দফার আন্দোলন, ও  ৭০ এর নির্বাচনের মাধ্যমে স্বাধিকার আন্দোলনের পুরোধা স্থপতি, প্রবাসী সরকারের নেতৃবৃন্দ ও সকল সেক্টর কমান্ডার মুক্তিযুদ্ধা ও নির্যাতিতা মা বোনদের  আত্মত্যাগের ইতিহাস বর্ণনা করে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধা সংসদ কানাডার প্রতিষ্ঠাকালীন কার্যনির্বাহী ও নর্থ আমেরিকান জূর্নালিস্টস নেটওয়ার্কের  সভাপতি বীর মুক্তিযুদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হেরিটেজ এন্ড এথনিক সোসাইটি অব আলবার্টার (বেসা ) সভাপতি সাইফুর হাসান। উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার কবির হোসেন, সংবাদপত্রসেবী মো: ইসমাইল, হায়দার জান চৌধুরী, অটোমোটিভ টেকনিসিয়ান তানভীর হাসান, শাকিল আহমেদ, রায়হানা রাসমিন, নারী প্রতিনিধি সোনিয়া আক্তার, সেলিনা ইসলাম, আয়েশা পারভীন, শিউলী বেগম,  রিমা বেগম, সাবিরা হাসান, ওশেনিয়া প্রমুখ।

 

প্রধান অতিথি জাহিদ বলেন দেশের স্বাধীনতা অর্জনে শহীদদের এ আত্মত্যাগ ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হলেও একে রাজনৈতিক কারণে বিতর্কিত করা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে।  নতুন প্রজন্মের সামনে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল-শামস বাহিনীর হাতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার শহীদদের পরিবারবর্গকে হেয় প্রতিপন্ন করছে এবং এর পিছনে যাদের মদদ রয়েছে তারা এখন দেশে গৃহযুদ্ধের ডাক দিচ্ছে।

 

জাহিদ শিশু কিশোরদের পরিবার ও  শিক্ষালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম তথা মুক্তিযুদ্ধের উপলব্ধি, দায়বদ্ধতা ও প্রকৃত ইতিহাসচর্চার আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানান ।

 

বাংলাদেশ হেরিটেজ এন্ড এথনিক সোসাইটি অব আলবার্টার পক্ষ থেকে তিনি নতুন অভিবাসীদের এডমন্টনে স্বাগত জানান এবং তাদের ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত হবার আহ্বান জানিয়ে মুক্ত আলোচনার সুযোগ দেন , আলোচনায় অংশ নেন শিল্পী তামিম হোসেইন, মোন্তাসির মামুন, মো: জামাল উদ্দিন, মো: রাইস উদ্দিন, সুলতান রাসেল এবং সাইফুর হাসান।  

 

সভায় বাংলাদেশ হেরিটেজ এন্ড এথনিক সোসাইটি অব আলবার্টাকে পুনর্গঠন ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলার জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয় : সভাপতিঃ সুলতান রাসেল, সহসভাপতি : মো: জামাল উদ্দিন , সেক্রেটারি -মো রহিস উদ্দিন, কোষাধক্ষ : মুনতাসির মামুন এবং এক্স অফিসিও : এস. হাসান।

 

প্রধান অতিথি নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন । প্রধান অতিথি জাহিদ সভাপতি সাইফুর হাসান ও সুলতান রাসেলকে নিয়ে শিশু কিশোরদের মাঝে বিজয়দিবসের গিফট বিতরণ করেন।

 

বাংলাদেশী খাবার পরিবেশন উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে.

 

ছবিতে : আলোচনা ও গল্পের আড্ডা

২. শিশুদের মাঝে গিফট বিতরণ করেছেন প্রধান অতিথি দেলোয়ার জাহিদ

৩.প্রধান অতিথি দেলোয়ার জাহিদ  নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের পরিচয় পর্বে বক্তব্য রাখছেন

এডমন্টন, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫ — আজ আলবার্টার আইনসভা ভবনের হলগুলি প্রাণবন্ত রঙ, সঙ্গীত এবং প্রাণবন্ততায় ভরে ওঠে কারণ আইনসভার স্পিকার মাননীয় নাথান কুপার সকাল ১১:৪৫ মিনিটে ঐতিহাসিক রোটুন্ডায় একটি বিশেষ বৈশাখী উদযাপনের আয়োজন করেন। শিখ সম্প্রদায় এবং অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় সংস্কৃতির জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ উৎসবকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য এই অনুষ্ঠানে সম্প্রদায়ের নেতা, সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী এবং নির্বাচিত কর্মকর্তারা একত্রিত হন।

ঐক্য ও উদযাপনের নিদর্শন হিসেবে, স্পিকার কুপার বৈশাখী অনুষ্ঠান এবং দিনের শুরুতে অংশগ্রহণকারী অতিথিদের স্বীকৃতি দিয়ে বিকেলে আইনসভার অধিবেশন শুরু করেন। বিধানসভায় ভাষণ দেওয়ার সময়, তিনি গ্যালারিতে উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিদের উঠে দাঁড়াতে এবং পরিষদের উষ্ণ অভ্যর্থনা গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান।

সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ডঃ অমিত কুমার, লিপিকা চৌধুরী, পুনীত মনচন্দা, ইলোনা মৈত্র, রাজীব মিত্তল, হরজিৎ সিং এবং বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক দেলোয়ার জাহিদ, যিনি এই অনুষ্ঠানের বৈচিত্র্য এবং সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততার প্রতিফলন ঘটান।

উদযাপনের একটি উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ ছিল ক্যালগারির গুরুকুল নৃত্য স্টুডিওর পরিবেশনা, যার সদস্যরা রোটুন্ডা অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাদের মনোমুগ্ধকর উপস্থাপনা ঐতিহ্য এবং সম্প্রীতির এক গভীর সকালের সুর তৈরি করেছিল।

অধিবেশন চলাকালীন, বিধায়ক মিঃ সিং (ক্যালগারি-পূর্ব) ক্যালগারির সর্ব আকাল সোসাইটির সদস্যদের গর্বের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন, যা সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ এবং সম্প্রদায়ের সেবায় গভীরভাবে প্রোথিত, যার নেতৃত্বে ছিলেন মিঃ হরজিৎ সিং। আইনসভায় তাদের উপস্থিতি জনসেবা এবং নাগরিক গর্বের মধ্যে সাংস্কৃতিক পরিচয়কে স্বীকৃতি এবং উন্নীত করার গুরুত্বকে তুলে ধরে।

বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার সদস্যরাও দিবসের উদযাপনে অংশ নিয়েছিলেন, স্কুল গোষ্ঠী এবং সম্প্রদায় সংগঠনগুলির সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন, যাদের সকলেই বিধানসভা থেকে আন্তরিক স্বাগত পেয়েছিলেন। বিধায়ক মিসেস লাভলি (ক্যামরোজ) গুরুকুলের তরুণ শিল্পীদের প্রতি তার প্রশংসা প্রকাশ করেন, অন্যদিকে বিধায়ক মিঃ স্টিফান ওয়াইওয়াইসি সোসাইটির অবদান তুলে ধরেন এবং বিধায়ক মিসেস ডি জঙ্গে বৈশাখী অনুষ্ঠানে যোগদানকারী চেস্টারমেয়ারের সম্প্রদায়ের নেতা এবং পরিবারগুলিকে স্বাগত জানান।

আনুষ্ঠানিক অধিবেশনটি স্পিকারের উদ্বোধনী প্রার্থনার মাধ্যমে শুরু হয়, যেখানে নেতৃত্বের পদে সকলের জন্য নির্দেশনা এবং প্রজ্ঞার আহ্বান জানানো হয় - বৈশাখীতে পালিত সেবা এবং নম্রতার মূল্যবোধের প্রতিধ্বনি।

বিধানসভা তার নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে, সকালের উদযাপনের চেতনা স্থির থাকে - সাংস্কৃতিক অন্তর্ভুক্তি এবং এর সমৃদ্ধ বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর স্বীকৃতির প্রতি আলবার্টার প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।

১৬৯৯ সালে শিখ নববর্ষ এবং খালসার প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে বৈশাখী আনন্দ, প্রতিফলন এবং সম্প্রদায় সেবার সময়। আলবার্টা আইনসভায় আজকের অনুষ্ঠানটি কেবল সেই ঐতিহ্যের উদযাপন হিসাবেই নয় বরং বহুসংস্কৃতিবাদ এবং ভাগ করা মূল্যবোধের মধ্যে পাওয়া শক্তির স্মারক হিসাবেও কাজ করে।